Top News

PM Modi 2036 Olympics announcement - ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনে মরিয়া ভারত: বারাণসীতে ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনে মরিয়া ভারত: বারাণসীতে ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

PM Modi 2036 Olympics announcement, India hosting 2030 Commonwealth Games, 72nd Senior National Volleyball Championship Varanasi, Khelo Bharat Policy 2025 details, National Sports Governance Act India, PM Modi Varanasi sports event speech, India's bid for 2036 Olympic Games, 72nd National Volleyball Tournament results, growth of Indian sports infrastructure 2026, athlete centric sports model India, PM Modi virtual address Varanasi volleyball, list of international sports events hosted by India, 2036 Olympics host country rumors, target olympic podium scheme updates 2026, sports budget increase under Modi government

২০৩৬ সালের অলিম্পিক গেমস আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে ভারত পূর্ণ শক্তিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার (৪ জানুয়ারি, ২০২৬) বারাণসীতে শুরু হওয়া ৭২তম সিনিয়র ন্যাশনাল ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস ভারতেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়ে তিনি দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে এক নতুন যুগের ইঙ্গিত দেন।

অলিম্পিক আয়োজনের প্রস্তুতি ও সরকারি লক্ষ্য

প্রধানমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় সরকার দেশের ক্রীড়াবিদদের বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ। ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনের নেপথ্যে মূল লক্ষ্য হলো দেশের তরুণ খেলোয়াড়দের আরও বেশি আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ করে দেওয়া। তিনি বলেন, "ভারত আজ 'রিফর্ম এক্সপ্রেসে' সওয়ার হয়েছে, যার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্টপেজ হলো ক্রীড়াক্ষেত্র।"

West Bengal Birth Certificate Online: পশ্চিমবঙ্গে জন্ম সার্টিফিকেট বানানোর সম্পূর্ণ গাইড - নতুন, পুরাতন বা হারিয়ে যাওয়া সার্টিফিকেট ডিজিটাল করার উপায়

পশ্চিমবঙ্গে জন্ম সার্টিফিকেট: ডিজিটাল যুগে নতুন ও পুরনো শংসাপত্র পাওয়ার সহজ গাইড

Learn how to apply for a Digital Birth Certificate in WB and recover lost records.


র্তমান ডিজিটাল সময়ে দাঁড়িয়ে আধার কার্ড, পাসপোর্ট বা স্কুলে ভর্তির মতো প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কাজে জন্ম সার্টিফিকেট বা জন্ম শংসাপত্র একটি অপরিহার্য নথি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘জন্ম-মৃত্যু তথ্য’ পোর্টালের মাধ্যমে এখন ঘরে বসেই নতুন সার্টিফিকেটের আবেদন থেকে শুরু করে পুরনো বা হারিয়ে যাওয়া সার্টিফিকেট ডিজিটাল করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এই প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।


ডিজিটাল জন্ম শংসাপত্র কেন প্রয়োজন?

ভারতের নাগরিকত্ব আইন এবং প্রশাসনিক নিয়মানুযায়ী, যেকোনো সরকারি পরিষেবার প্রাথমিক ভিত্তি হলো জন্ম শংসাপত্র। স্কুলে ভর্তি, ভোটার আইডি কার্ড তৈরি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, বিবাহ রেজিস্ট্রেশন এবং বিদেশে যাওয়ার জন্য পাসপোর্টের আবেদনে এটি বাধ্যতামূলক। ডিজিটাল সার্টিফিকেট থাকলে কিউআর কোডের (QR Code) মাধ্যমে এর সত্যতা দ্রুত যাচাই করা যায়, যা জালিয়াতি রোধে কার্যকর।


অনলাইনে আবেদনের অফিসিয়াল মাধ্যম

পশ্চিমবঙ্গ সরকার জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য একটি নির্দিষ্ট পোর্টাল চালু রেখেছে। কোনো দালাল বা তৃতীয় পক্ষের সাহায্য না নিয়ে সরাসরি সরকারি পোর্টালে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে:


পশ্চিমবঙ্গে জন্ম সার্টিফিকেট বানানোর সম্পূর্ণ গাইড (নতুন, পুরাতন বা হারিয়ে যাওয়া সার্টিফিকেট ডিজিটাল করার উপায়)

আবেদন প্রক্রিয়া



১. নতুন জন্ম নিবন্ধীকরণ (সদ্যোজাতদের জন্য)

যদি শিশুর জন্ম ২১ দিনের মধ্যে হয়, তবে এই প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে হবে।

  • পদ্ধতি: পোর্টালে গিয়ে ‘Citizen Services’ ট্যাব থেকে ‘Birth Registration’ নির্বাচন করুন। মোবাইল নম্বর দিয়ে ওটিপি (OTP)-র মাধ্যমে লগ-ইন করুন।

  • প্রয়োজনীয় নথি: হাসপাতালের ডিসচার্জ সার্টিফিকেট বা বার্থ স্লিপ এবং বাবা-মায়ের আধার কার্ড।

  • সময়সীমা: সাধারণত ৭ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়।



২. পুরনো বা হাতে লেখা সার্টিফিকেট ডিজিটাল করার উপায়

১৯৯০ বা ২০০০-এর দশকের অনেকের কাছেই পুরনো হাতে লেখা সার্টিফিকেট রয়েছে, যা অনেক সময় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গ্রহণ করা হয় না।

  • অনুসন্ধান: প্রথমে crsorgi.gov.in পোর্টালে গিয়ে আপনার জন্ম সাল ও জেলা দিয়ে সার্চ করুন।

  • ম্যানুয়াল ভেরিফিকেশন: যদি অনলাইন রেকর্ডে তথ্য না থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট পুরসভা বা পঞ্চায়েত অফিসে পুরনো সার্টিফিকেট নিয়ে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে। সেখানে 'Backlog Data Entry' বা 'Digitisation Request'-এর মাধ্যমে আপনার পুরনো তথ্য ডিজিটাল ডাটাবেসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।



৩. হারিয়ে যাওয়া সার্টিফিকেট পুনরুদ্ধার

যদি আপনার সার্টিফিকেট হারিয়ে যায় এবং আপনার কাছে কোনো ফটোকপি না থাকে, তবে:

  • নিকটস্থ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (GD) করুন।

  • থানার কপি এবং নিজের আধার কার্ড নিয়ে সংশ্লিষ্ট জন্ম নিবন্ধন অফিসে (পুরসভা/ব্লক) যোগাযোগ করুন।

  • অনলাইন পোর্টালে 'Track Application' বা 'Download Certificate' অপশনে গিয়ে পুরনো অ্যাপ্লিকেশন নম্বর বা মোবাইল নম্বর দিয়েও এটি খোঁজা সম্ভব।



খরচ ও সময়সীমা: ফ্যাক্ট চেক

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, জন্মের ২১ দিনের মধ্যে নাম নথিভুক্ত করা সম্পূর্ণ নিঃশুল্ক। তবে বিলম্বিত নিবন্ধনের (Delayed Registration) ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট ফি প্রযোজ্য হয়:

  • ২১ থেকে ৩০ দিন: নামমাত্র বিলম্ব ফি।

  • ৩০ দিন থেকে ১ বছর: মহকুমা শাসক (SDO) বা বিডিও-র অনুমতি ও হলফনামা প্রয়োজন।

  • ১ বছরের বেশি: মেজিস্ট্রেটের অর্ডার এবং নির্দিষ্ট লেট ফি (সাধারণত ₹৫০-₹১০০ এর মধ্যে) জমা দিতে হয়।




সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

  • প্রশ্ন: জন্ম সার্টিফিকেট ছাড়া কি আধার কার্ড হয়? উত্তর: বর্তমান নিয়মে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত জরুরি। বড়দের ক্ষেত্রে বিকল্প নথি থাকলেও জন্ম সার্টিফিকেট থাকা আইনিভাবে অধিকতর সুরক্ষিত।

  • প্রশ্ন: জন্মস্থান ভিন্ন রাজ্য বা দেশ হলে কি পশ্চিমবঙ্গ থেকে সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে? উত্তর: না। নিয়ম অনুযায়ী, জন্ম যেখানে হয়েছে (হাসপাতাল বা বাড়ি যে এলাকার অন্তর্ভুক্ত), সেই নির্দিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তর থেকেই সার্টিফিকেট নিতে হবে।

প্রশ্ন: জন্ম সার্টিফিকেট ছাড়া কি আধার করা যায়?

উত্তর: কিছু ক্ষেত্রে যায়, কিন্তু জন্ম সার্টিফিকেট থাকলে সুবিধা বেশি।

প্রশ্ন: বাবা-মা না থাকলে কী করবেন?
উত্তর: আইনসম্মত অভিভাবক আবেদন করতে পারবেন, প্রমাণপত্র লাগবে।

প্রশ্ন: জন্ম বাংলাদেশে হলে পশ্চিমবঙ্গে করা যাবে?
উত্তর: না। জন্ম যে দেশে হয়েছে, সেই দেশের রেজিস্ট্রেশন প্রযোজ্য।

প্রশ্ন: অনলাইনে স্ট্যাটাস কীভাবে দেখব?

উত্তর: আবেদন নম্বর দিয়ে janma-mrityu.wb.gov.in এ লগইন করে। 

সতর্কবার্তা: জন্ম সার্টিফিকেট একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল আইনি নথি। অনলাইনে আবেদনের সময় নিজের নাম, বাবা-মায়ের নাম এবং জন্ম তারিখের বানান আধার কার্ডের সাথে মিলিয়ে দিন। সামান্য ভুল সংশোধনের জন্য পরবর্তীকালে দীর্ঘ প্রশাসনিক জটিলতার সম্মুখীন হতে হতে পারে।


পশ্চিমবঙ্গ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের অফিসিয়াল লিঙ্ক

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই পরিষেবাকে আরও উন্নত করতে নতুন ডোমেইন ব্যবহার করছে। নিচে সরাসরি লিঙ্কগুলো দেওয়া হলো:



আরও পড়ুন (Read More):
1️⃣ 🔹 রাজ্য সংবাদ (West Bengal News) 👉 জেলা থেকে ব্লক স্তর—পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি কোণার সর্বশেষ রাজনৈতিক ও সামাজিক খবর।
2️⃣ 🔹 সরকারি চাকরি (West Bengal Govt Jobs) 👉 নতুন চাকরির বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষার রুটিন এবং ক্যারিয়ার গড়ার যাবতীয় নির্ভরযোগ্য আপডেট।
3️⃣ 🔹 স্বাস্থ্য ও লাইফস্টাইল (Health & Lifestyle) 👉 সুস্থ থাকার ঘরোয়া উপায়, ডায়েট চার্ট, মানসিক স্বাস্থ্য এবং আধুনিক জীবনযাত্রার গাইড।
4️⃣ 🔹 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (Tech & Science) 👉 মহাকাশ গবেষণা থেকে লেটেস্ট স্মার্টফোন—প্রযুক্তির দুনিয়ার বিস্ময়কর সব তথ্য।
5️⃣ 🔹 খেলার দুনিয়া (Sports Update) 👉 ফুটবল, ক্রিকেট থেকে শুরু করে অলিম্পিক; খেলার মাঠের লাইভ আপডেট ও বিশ্লেষণ।
6️⃣ 🔹 আবহাওয়ার খবর (Weather Update) 👉 আপনার এলাকার আজকের তাপমাত্রা, বৃষ্টির পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া দপ্তরের জরুরি সতর্কবার্তা।
7️⃣ 🔹 সাহিত্য ও সংস্কৃতি (Culture & Literature) 👉 উৎসবের খবর, নতুন বইয়ের হদিস এবং বাঙালির চিরাচরিত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গল্প।
8️⃣ 🔹 তিলোত্তমা কলকাতা (Kolkata News) 👉 শহরের ট্রাফিক আপডেট, মেয়রের বিশেষ ঘোষণা এবং মহানগরের অন্দরের সব খবর।
9️⃣ 🔹 বিনোদন জগৎ (Entertainment) 👉 সিনেমা, সিরিয়াল, ওটিটি রিলিজ এবং রুপোলি পর্দার তারকাদের অন্দরমহলের কথা।





ক্রীড়াক্ষেত্রে সংস্কার ও নতুন নীতি

বক্তব্য চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর সরকারের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন:

  • খেলো ভারত নীতি ২০২৫: এই নতুন নীতির মাধ্যমে সঠিক প্রতিভা অন্বেষণ এবং ক্রীড়া সংস্থাগুলোতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা হবে।

  • ন্যাশনাল স্পোর্টস গভর্ন্যান্স অ্যাক্ট: এই আইনটি ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রশাসনিক সংস্কার আনবে।

  • বিগত দশকের সাফল্য: গত ১০ বছরে ভারত ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ এবং হকি বিশ্বকাপের মতো ২০টিরও বেশি বড় আন্তর্জাতিক ইভেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে।

বারাণসীর গুরুত্ব ও ভলিবল টুর্নামেন্ট

বারাণসী এখন দেশের অন্যতম প্রধান স্পোর্টিং ডেস্টিনেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। ৪ থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত আয়োজিত এই ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপে সারা দেশের ৫৮টি দলের ১,০০০-এরও বেশি খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছেন। ভলিবলের সাথে ভারতের উন্নয়ন যাত্রার তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খেলা আমাদের শেখায় যে কোনো বড় জয় একা আসে না, তা দলগত প্রচেষ্টা ও সমন্বয়ের ফল।

বাজেট ও পরিকাঠামো উন্নয়ন

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, ২০১৪ সালের পর থেকে ভারতের ক্রীড়া বাজেট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে ভারতের স্পোর্টস মডেল অনেক বেশি 'অ্যাথলিট-কেন্দ্রিক', যেখানে বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ, পুষ্টি এবং স্বচ্ছ নির্বাচনের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


তথ্যসূত্র: দ্য হিন্দু এবং পিটিআই (PTI) সূত্রে প্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য।

LOKSANGBAD-এর পক্ষ থেকে প্রকাশিত।

আমাদেরকে অনুসরণ করুন:

নবীনতর পূর্বতন